আরেকটি পেনাল্টি শ্যুটআউট হার দেখলেন অ্যালিসন বেকার। ২০২২ সালে এফএ কাপের ফাইনালে চেলসির বিপক্ষে টাইব্রেকারে হারের পর থেকে আর কখনোই এই ফরম্যাটে জিততে পারেননি ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক। বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক হওয়া সত্ত্বেও, স্নায়ুচাপের এই পরীক্ষায় তিনি বারবার পিছিয়ে পড়ছেন।
রাউন্ড অব সিক্সটিনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লিভারপুলের বিদায়ের দায় কেবল অ্যালিসনের নয়—দলের দুই তারকা ডারউইন নুনিয়েজ ও কার্টিস জোন্স পেনাল্টি শটে ব্যর্থ হন। যার ফলে ঘরের মাঠে টাইব্রেকারে ৪-১ ব্যবধানে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যায় অলরেডরা।
অ্যালিসনের রেকর্ড, তবুও বিদায়
দলের বিদায়ের দিনে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন এক রেকর্ডের মালিক হয়েছেন অ্যালিসন বেকার। দুই লেগ মিলিয়ে তিনি ১৬টি শট সেভ করেছেন, যা ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নকআউট পর্বের দুই লেগে পেনাল্টি শ্যুটআউট ছাড়া আর কোনো গোলরক্ষক এত বেশি শট ঠেকাননি।
এর আগে ২০১৬-১৭ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের ম্যানুয়েল নয়্যারও ১৬টি শট সেভ করেছিলেন, তবে তাতেও তার দল রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে টিকে থাকতে পারেনি।
ডোনারুম্মার নায়কোচিত পারফরম্যান্স
দুই লেগে দুর্দান্ত খেলার পরও লিভারপুলকে কোয়ার্টার ফাইনালে নিতে পারেননি অ্যালিসন। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি শ্যুটআউটে নায়ক হয়ে যান পিএসজির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোনারুম্মা।
পিএসজির হয়ে ভিতিনিয়া, গনসালো রামোস, উসমান ডেম্বেলে ও দিসায়ার দুয়ে গোল করতে সক্ষম হন। অপরদিকে ডোনারুম্মা একাই ঠেকিয়ে দেন ডারউইন নুনিয়েজ ও কার্টিস জোন্সের শট।
ফলাফল—টাইব্রেকারে ৪-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কেটে নেয় পিএসজি। আর অ্যালিসন বেকার ও লিভারপুলের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শেষ হয়ে যায় হতাশার সঙ্গেই।